PatientDesk

ডাক্তারদের জন্য

আপনার রোগী, আপনার সময়, আপনার প্যাড

যে বিশেষজ্ঞ নিজের চেম্বার চালান, বা দুই-তিন জায়গায় বসেন, তাঁর জন্য। ক্লিনিক সিস্টেমের চেয়ে ছোট, আর চালানোর জন্য আলাদা লোক রাখতে হয় না।

১

প্রেসক্রিপশন, আপনি যেভাবে লেখেন

ডোজ ও কত দিন, আপনার বাঁধা পরামর্শ, আর প্রতিদিন যা লেখেন তার নিজের টেম্পলেট। বাংলা বা ইংরেজিতে, আপনার নিজের প্যাডে ছাপা — আপনার কাগজে আমাদের নাম কখনো থাকে না।

২

ছয় মাস আগে দেখা রোগী

আগের ভিজিট, কী দিয়েছিলেন, কোন অ্যালার্জি লিখেছিলেন, আর আপলোড করা রিপোর্ট — সব একটি রেকর্ডে, ফোন নম্বর দিয়ে খুঁজে পাওয়া যায়।

৩

নিজের দিন স্ক্রিনে

আজকের রোগী, কে এসেছেন ও কে অপেক্ষা করছেন, আর সামনের কয়েক দিনের বুকিং। একাধিক চেম্বারে বসলে প্রত্যেকটির আলাদা সময়সূচি থাকে।

৪

সই করা মানে সই করা

সই করার পর চুপচাপ বদলানো যায় না। সংশোধন করলে নতুন ভার্সন হয়, আর আগেরটি ‘বদলে দেওয়া হয়েছে’ চিহ্ন নিয়ে থেকে যায় — যা রোগীর মতো আপনাকেও রক্ষা করে।

৫

বাংলাদেশের ওষুধ

লেখার সময়ই দেশি ব্র্যান্ড ও জেনেরিক খুঁজুন, আর তালিকায় না থাকা কিছু ব্যবহার করলে তা যোগ করে নিন।

৬

নিজের ঠিকানা

আপনার প্র্যাকটিস patientdesk.app-এ নিজের একটি ওয়েব ঠিকানা পায়, যাতে আপনি ও আপনার কর্মীরা নিজেদের জায়গাতেই সাইন ইন করেন।

পরিষ্কার কথা

পেশেন্টডেস্ক আপনার প্রেসক্রিপশন যাচাই করে না। অ্যালার্জি, বিক্রিয়া বা একই ওষুধ দুইবার পড়ার কোনো সতর্কবার্তা এখনো নেই। আপনি যা লিখেছেন তা হিসাবে রাখে, ঠিকভাবে ছাপে আর নিরাপদে জমিয়ে রাখে। চিকিৎসার বিচার আপনারই — কাগজে যেমন ছিল, ঠিক তেমন।

  • আপনার সহকারীকে ডেস্কের কাজ দেওয়া যায় — অ্যাপয়েন্টমেন্ট, সিরিয়াল, রসিদ — চিকিৎসার লেখা দেখা বা লেখার অনুমতি না দিয়েই।
  • নিজের রোগীর তালিকা সঙ্গে নিয়ে আসতে পারবেন, আর নিজের তথ্য বের করেও নিতে পারবেন।
  • ব্রাউজারে চলে ও ফোনে ইনস্টল হয়, তাই চেম্বারে নতুন কম্পিউটার কিনতে হয় না।

পনেরো মিনিট, আপনার নিজের রোগীর ধরন নিয়ে

আপনার বিষয় আর কয়টি চেম্বারে বসেন বলুন — সেটি মাথায় রেখেই প্রেসক্রিপশন ও রোগীর দিকটি দেখাব।